ভুটানের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের রেফারিং ও আয়োজকদের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কার কোচ আব্দুল্লাহ আল মুতাইরি। তার অভিযোগ, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ও ভারতকে ফাইনালে তোলার ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করা হতে পারে। এমন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য থাকলে অন্য দলগুলোকে খেলিয়ে সময় নষ্ট না করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে একপর্যায়ে এগিয়ে ছিল শ্রীলঙ্কা। তবে শেষ দিকে গোল হজম করে ২-২ সমতায় ম্যাচ শেষ করতে হয় তাদের। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন লঙ্কান খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আল মুতাইরি বিশেষভাবে ভিএআর না থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন। তার দাবি, ভুটানের দ্বিতীয় গোলটি অফসাইড থেকে হয়েছে। একই সঙ্গে শ্রীলঙ্কা একটি পেনাল্টি পাওয়ার যোগ্য ছিল বলেও মনে করেন তিনি।
শ্রীলঙ্কার কোচ বলেন, গ্রুপ পর্ব থেকেই ভিএআর থাকলে ভুটানের দ্বিতীয় গোলটি অফসাইড হিসেবে ধরা পড়ত বলে তার বিশ্বাস। পাশাপাশি নিজেদের পেনাল্টির আবেদনও বিবেচনা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচে রেফারিং নিয়ে কী ঘটতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই কোচ।
টুর্নামেন্টের আয়োজকদের উদ্দেশে আরও কড়া মন্তব্য করেন আল মুতাইরি। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক স্বার্থে যদি বাংলাদেশ ও ভারতকে ফাইনালে দেখতে চাওয়া হয়, তাহলে অন্য দলগুলোকে বাদ দিয়ে সরাসরি এই দুই দলকে নিয়ে ফাইনাল আয়োজন করা উচিত। এতে বাকি দলগুলোর সময় নষ্ট হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভিএআর ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শ্রীলঙ্কার কোচ। তার মতে, বাইরে থেকে রেফারি আনার ব্যবস্থা থাকলে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন ছিল। শুধু সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ভিএআর ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছে, তা নিয়েও অসন্তোষ জানান তিনি।
তবে আয়োজক ও রেফারিং নিয়ে এত অভিযোগের পরও বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস হারাননি আল মুতাইরি। মাঠে বাংলাদেশকে ভয় পান না জানিয়ে তিনি বলেন, ফুটবলে ১১ জনের বিপক্ষে ১১ জনই খেলবে। শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ ম্যাচটি সাফের ইতিহাসে অন্যতম সেরা লড়াই হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।



মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন