শুক্রবার ছুটির দিনে কেনাকাটা কিংবা পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আগে থেকেই জেনে নেওয়া জরুরি কোন কোন মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে। তা না হলে গন্তব্যে গিয়ে বন্ধ দোকান বা প্রতিষ্ঠানের কারণে সময় ও অর্থ দুটিই নষ্ট হতে পারে। ৬ নভেম্বর শুক্রবার রাজধানী ঢাকার বেশ কিছু মার্কেট, দোকানপাট ও দর্শনীয় স্থানে সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

বিনোদনপ্রেমীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর শুক্রবার বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারও বন্ধ থাকে। সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা জাদুঘরটি ঘুরে দেখতে পারেন।

একইভাবে আগারগাঁওয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরেও শুক্রবার প্রবেশের সুযোগ থাকছে না। বৃহস্পতিবারের পাশাপাশি শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকে। শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরটি খোলা থাকে।

অন্যদিকে, রাজধানীর পুরান ঢাকা ও আশপাশের বেশ কয়েকটি পরিচিত মার্কেট শুক্রবার বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার ও ধূপখোলা মাঠ বাজার।

এ ছাড়া চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুরের কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা ও বড় কাটরা হোলসেল মার্কেটও শুক্রবার বন্ধ থাকবে। একই তালিকায় রয়েছে শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট এবং সান্দ্রা সুপার মার্কেট।

মার্কেটের পাশাপাশি রাজধানীর বেশ কিছু এলাকার দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বন্ধ থাকবে। এসব এলাকার মধ্যে বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল ও জয়কালী মন্দির এলাকা রয়েছে।

এ ছাড়া যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল এলাকা, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা এলাকা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারীবাজার, চাঁনখারপুল এবং গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশের দোকানপাটও বন্ধ থাকবে। তাই শুক্রবার কেনাকাটা কিংবা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে আগে থেকেই সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা দেখে নেওয়া ভালো। এতে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত ও ভোগান্তি এড়ানো যাবে।