সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করছে বাংলাদেশ। তবে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা পায়নি লাল-সবুজের তরুণরা। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
শুক্রবার মালদ্বীপের রাজধানী মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দেয় বাংলাদেশ। ভারতের মতো শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে খেলেছে দলটি, এমনকি সুযোগ তৈরির দিক থেকেও এগিয়ে ছিল।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় বাংলাদেশকে। সপ্তম মিনিটে রোনানের বাম পায়ের শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট না হলেও যথেষ্ট জোরালো না হওয়ায় সহজেই সামাল দেন ভারতের গোলরক্ষক। এরপর একাধিকবার আক্রমণে গিয়েও গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ।

১৩তম মিনিটে রোনানের দারুণ ক্রস থেকে মিঠু চৌধুরী হেড নিলেও তা লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর মানিকের তৈরি সুযোগেও শেষ মুহূর্তে বলের নাগাল পাননি রোনান।
অন্যদিকে ভারতও বসে থাকেনি। ডান দিক দিয়ে রোহেন সিং একের পর এক বিপজ্জনক ক্রস তুললেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ছিল যথেষ্ট সতর্ক। ফলে বড় কোনো বিপদ তৈরি করতে পারেনি ভারত।
ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল ধরে ঋশিকান্ডা ভলি নেওয়ার চেষ্টা করলেও রক্ষণের চাপে তা সফল হয়নি। পরে জদরিক আব্রানাচেসের হেডও সহজে ধরে ফেলেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আবারও সুযোগ পেয়েছিলেন রোনান। নিচু পাস থেকে বুট ছুঁইয়ে দারুণ ভলি নিলেও বল উড়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
উল্লেখ্য, চলতি আসরের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ ও ভারতের ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। ইতিহাস বলছে, বয়সভিত্তিক সাফ টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত সাতবারের মধ্যে চারবার শিরোপা জিতেছে ভারত, নেপাল দুইবার এবং বাংলাদেশ একবার।
বাংলাদেশ এর আগে তিনবার ফাইনালে খেললেও শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছে মাত্র একবার, ২০২৪ সালে। এবার সেই ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্যে লড়ছে তরুণরা।
👉 সব মিলিয়ে, প্রথমার্ধে গোল না হলেও ম্যাচের উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয়ার্ধে কে ভাঙবে এই অচলাবস্থা, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।



মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন