২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী, আগামী বছর সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে মোট ২৯ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এর মধ্যে সাত দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবারে। সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘২০২৭ খ্রিস্টাব্দের সরকারি ছুটির তালিকা’ উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে আলোচনা শেষে তালিকাটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে আগামী বছরের সরকারি ছুটির সংখ্যা ও কাঠামো চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি জানান, ২০২৭ সালের জন্য সাধারণ ছুটি এবং নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি মিলিয়ে মোট ২৯ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনুমোদিত ছুটির তালিকার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, মোট ছুটির মধ্যে সাত দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবারে। ফলে এসব ছুটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সঙ্গে মিলে গেছে। সরকারি ছুটির মোট সংখ্যা ২৯ দিন হলেও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে যাওয়ার বিষয়টি ছুটির হিসাবের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদনের ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা ও ছুটির পরিকল্পনা তৈরিতে সুবিধা হবে। বিশেষ করে আগে থেকে ছুটির দিনগুলো জানা থাকলে ব্যক্তিগত কাজ, পারিবারিক আয়োজন এবং ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজানো সহজ হয়।
সাধারণত সরকারি ছুটির তালিকায় জাতীয় দিবস, ধর্মীয় উৎসব এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ অন্তর্ভুক্ত থাকে। অন্যদিকে নির্বাহী আদেশে ঘোষিত ছুটিও সরকারি ছুটির হিসাবের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০২৭ সালের অনুমোদিত তালিকাতেও সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে মোট ২৯ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে কোন কোন তারিখে সাধারণ ছুটি এবং কোন তারিখে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে, তা জানতে অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ ছুটির তালিকা অনুসরণ করতে হবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের ছুটির পরিকল্পনা করার আগে সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আগামী বছরের ছুটির বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এসেছে। এখন পূর্ণাঙ্গ তালিকায় ছুটির তারিখ ও ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা গেলে সাধারণ মানুষের জন্য বছরজুড়ে নিজেদের কাজ ও অবসর পরিকল্পনা করা আরও সহজ হবে।



মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন