যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? তাহলে চিকিৎসার খরচ মেটানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে বিদেশি নাগরিকদের। দেশটিতে অবস্থানকালে চিকিৎসার জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তা বা অনুদান নিলে ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠতে পারে। এতে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাওয়াও কঠিন হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় এ বিষয়ে ভ্রমণকারীদের সতর্ক করা হয়। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকেরা চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর করলে সেটি ভিসার শর্তের অপব্যবহার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
দূতাবাসের সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, ভিসার শর্ত অপব্যবহার করা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হলে ভবিষ্যতে দেশটিতে ভ্রমণের অযোগ্য বিবেচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ভ্রমণের আগে চিকিৎসা ব্যয় ও সম্ভাব্য আর্থিক দায় মেটানোর প্রস্তুতি রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ সময় অবস্থান, চিকিৎসা কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে চিকিৎসা ব্যয়ের বিষয়টি আগেই বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। ভ্রমণকারীদের উচিত ভিসার শর্ত এবং দেশটিতে অবস্থানসংক্রান্ত নিয়মকানুন ভালোভাবে জেনে নেওয়া।
এর আগে গত ৩১ অক্টোবরও ভ্রমণকারীদের জন্য পৃথক সতর্কবার্তা দিয়েছিল ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। সেখানে বলা হয়েছিল, বিদেশি নাগরিকদের পাসপোর্টে উল্লেখ করা ‘অ্যাডমিট আনটিল ডেট’ অনুযায়ী অনুমোদিত সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। ভিসার মেয়াদ ও দেশটিতে অবস্থানের অনুমোদিত সময় যে এক বিষয় নয়, সেটিও ভ্রমণকারীদের মনে রাখা জরুরি।
দূতাবাসের ধারাবাহিক এসব সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। চিকিৎসা ব্যয়, সরকারি সুবিধা গ্রহণ এবং অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান- প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিসার শর্ত সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।



মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন