সম্পাদকীয়

চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন: সূর্য সেনের সাহসী অভিযান

চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এক দুঃসাহসী অধ্যায়। সময়টা ১৯৩০ সাল। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তখন ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্দোলন চলছে। চট্টগ্রামেও তরুণ বিপ্লবীদের একটি দল গোপনে সংগঠিত হচ্ছিল। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেন। শিক্ষকতা করা এই মানুষটি ধীরে ধীরে বিপ্লবী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে ওঠেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল শুধু একটি অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র নেওয়া নয়, বরং ব্রিটিশ প্রশাসনের যোগাযোগব্যবস্থাকে সাময়িকভাবে অচল করে চট্টগ্রামে একটি বড়

আজকের চট্টগ্রামের শুরুটা হয়েছিল যেভাবে ব্রিটিশ আমলে

ব্রিটিশ আমলের চট্টগ্রাম ছিল এমন এক সময়ের সাক্ষী, যখন একটি বন্দরনগরী ধীরে ধীরে আধুনিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছিল। কর্ণফুলী নদী ও বঙ্গোপসাগরের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রামের বন্দর আগে থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে উনিশ শতকের শেষ দিকে রেল যোগাযোগের বিস্তার শহরটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। চট্টগ্রামের পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল রেলপথের। ব্রিটিশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষের কাছে চট্টগ্রামকে আসাম ও পূর্ববঙ্গের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি

চট্টগ্রাম সুলতানি আমল: সমুদ্রবন্দরের সোনালি ইতিহাস

চট্টগ্রাম সুলতানি আমল বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মধ্যযুগের এক ব্যস্ত বন্দর নগরীর ছবি। কর্ণফুলী নদীর তীর আর বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে চট্টগ্রাম তখন শুধু একটি জনপদ ছিল না, বরং দূরদেশের ব্যবসায়ী ও নাবিকদের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি সমুদ্রপথের ঠিকানা। তবে এর বন্দর পরিচয় সুলতানি আমলের আগেই তৈরি হয়েছিল। আরব বণিকদের সঙ্গে চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক যোগাযোগের প্রমাণ অন্তত নবম শতক পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সুলতানি যুগে সেই পুরোনো বন্দর নতুন রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব পায়।

চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি: সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের গল্প

চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। পাহাড়, বন আর ঝিরির সঙ্গে গড়ে ওঠা এই জীবনধারায় রয়েছে নিজস্ব ভাষা, পোশাক, খাবার, গান, নৃত্য, উৎসব ও কারুশিল্প। প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব রীতি ও পরিচয় থাকলেও প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাদের সংস্কৃতির একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য।