অভিনয়জগতে পরিচিত মুখ হলেও একসময় তাদেরও কাটাতে হয়েছে পরীক্ষার হলের ব্যস্ততা, পড়াশোনার চাপ এবং ফল প্রকাশের আগের রাতের দুশ্চিন্তা। কেউ পেয়েছেন জিপিএ-৫, কেউ আবার পেয়েছেন প্রত্যাশার চেয়ে কিছুটা কম ফল। চলুন জেনে নেওয়া যাক, সাফা কবির, তাসনিয়া ফারিণ, হিমি, পূজা চেরী ও তটিনী এইচএসসিতে কে কত জিপিএ পেয়েছিলেন।

সাফা কবির: পেয়েছিলেন জিপিএ ৪.৫০

জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির ২০১২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি পড়াশোনা করেছেন বিএএফ শাহীন কলেজে। ফল প্রকাশের আগের রাতে দুশ্চিন্তায় ঠিকমতো ঘুমাতে পারেননি বলেও এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন তিনি। এইচএসসি পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত ফল ছিল জিপিএ ৪.৫০।

তাসনিয়া ফারিণ: পেয়েছিলেন জিপিএ-৫

অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ পড়াশোনার সময় বেশ চাপের মধ্যে থাকতেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভালো ফলের জন্য মা তাকে নিয়মিত উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি পড়াশোনায় চাপ দিতেন। কখনো খারাপ ফল হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলতেন। এসব কারণে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতেন তিনি। হলি ক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ফারিণ। পরীক্ষায় তার ফল ছিল জিপিএ-৫।

তটিনী: পেয়েছিলেন গোল্ডেন এ প্লাস

অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী পড়াশোনায় বেশ মনোযোগী ছিলেন। তার বন্ধুরা তাকে মেধাবী হিসেবেই চিনতেন। বরিশাল মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস অর্জন করেন এই অভিনেত্রী।

হিমি: পেয়েছিলেন জিপিএ-৫

অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি ২০১৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দেন। ঢাকার ক্যামব্রিয়ান কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্র ফাঁসের নানা গুঞ্জন শুনলেও নিজের যোগ্যতার ওপরই ভরসা রেখেছিলেন হিমি। পরিচিতদের কাছ থেকে কথিত ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পেলেও সেগুলো নিতে চাননি বলে জানিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন এই অভিনেত্রী।

পূজা চেরী: পেয়েছিলেন জিপিএ ৪.০৮

অভিনেত্রী পূজা চেরীর এইচএসসি পরীক্ষার সময়টা ছিল বেশ ব্যস্ততার। ২০২২ সালে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী ডিগ্রি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। সে সময় ‘গলুই’ সিনেমার শুটিং নিয়েও ব্যস্ত ছিলেন এই অভিনেত্রী। নানা ব্যস্ততার মধ্যেই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.০৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হন পূজা চেরী।

অভিনয়ের জগতে পরিচিতি পাওয়ার আগে এই তারকারাও ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতোই। তাদের পরীক্ষার ফলাফল ও অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, সবার শিক্ষাজীবনের গল্প এক রকম নয়। কেউ ভালো ফলের আনন্দ পেয়েছেন, আবার কারও কাছে পরীক্ষার সময়টা ছিল ব্যস্ততা ও চাপ সামলে এগিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা।